

মাতৃভূমির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদাজাগ্রত, সুদূর আফ্রিকার সংঘাতময় প্রান্তর থেকে দেশের বিস্তৃত সীমান্তে যারা শান্তির ও সংগ্রামের সাহসী সেনা-তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। দেশের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে সাধারণ মানুষের আস্থার শেষ আশ্রয়স্থল, এই বাহিনীর অদম্য সাহস,ত্যাগ এবং গৌরবের ইতিহাস এবার উঠে আসছে টেলিভিশনের পর্দায় ও ডিজিটাল মাধ্যমে।
নির্মাতা খাইরুল ইসলাম তুফানের পরিচালনায় নির্মিত বিশেষ ধারাবাহিক প্রামাণ্যচিত্র ‘দূর্বার-সমরে শান্তিতে’। সম্প্রচারিত হতে যাচ্ছে ৩ ফ্রেব্রুয়ারি থেকে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম, বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এবং শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি স্যাটেলাইট, চ্যানেল আই-তে।
বাংলাদেশের টেলিভিশন জগতের মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, ফরিদুর রেজা সাগর এবং শাইখ সিরাজের অনুপ্রেরনায় ধারাবাহিক এই মেগা সিরিজে নির্মাতা তুফান, নিপুণ মুন্সিয়ানায় তুলে ধরেছেন সেনাবাহিনীর দেশে বিদেশে বিস্তৃত কার্যক্রমের অজানা গল্প।
এতে উঠে এসেছে:
* মহান মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর জন্ম ও বীরত্বগাঁথা।
* পাহাড় ও সমতলে নিরাপত্তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের নিরলস ভূমিকা।
* জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ ও বিশ্বজয়ের গল্প।
* দুর্যোগ মোকাবিলায় মানবিক সহায়তার চিত্র এবং বাহিনীর আধুনিকায়ন।
‘দূর্বার’ নিয়ে নির্মাতা খাইরুল ইসলাম তুফান বলেন : “সেনাবাহিনীর ইউনিফর্মের আড়ালে যে মানবিক ও দেশ প্রেমিক হৃদয়টি স্পন্দিত হয়, ‘দূর্বার’- সমরে শান্তিতে,এর মাধ্যমে আমরা সেই হৃদস্পন্দনটি- কেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছি। এই ধারাবাহিক প্রামাণ্যচিত্রে কেবল তথ্যের সমাহার নয়, বরং এটি সাধারণ জনগণ এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে আস্থার সম্পর্ককে আরও গভীর করার একটি প্রয়াস। এই প্রামাণ্য চিত্রের লক্ষ্য হলো, তরুণ প্রজন্ম যেন এই সিরিজের মাধ্যমে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয় এবং জানতে পারে, সমরে কিংবা শান্তিতে, তাদের সেনাবাহিনী কতটা ‘দূর্বার’।”
প্রামান্য চিত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান- “পজিটিভ থিংক”
নির্মাতা খাইরুল ইসলাম তুফান এর আগে বাংলাদেশ পুলিশকে নিয়ে ‘সবুজ সংকেত’ নামে (৩০০+ পর্ব) সিরিজ প্রামাণ্যচিত্র নির্মান করেন। যা প্রচারিত হওয়ার পর দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এছাড়াও, ‘লিগ্যালএইড: বিচারের প্রথম দরজা’ এবং সুন্দরবন ও বাঘ রক্ষায় তার নির্মিত আন্তর্জাতিক তথ্যচিত্রগুলো সর্বমহলের নজর কেড়েছে।