

নরসিংদীতে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ২ নিহত ও কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।
আজ রবিবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিট থেকে বাঁশগাড়ি ইউনিয়নে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের শুরু হয়। এতে টেঁটা ও বন্দুকযুদ্ধে প্রাথমিকভাবে দুইজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রায়পুরা উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল বাঁশগাড়ি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সাবেক চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম ও বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। দ্বন্দের জের ধরে এই দুই গ্রুপের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ ও মারামারির ঘটনা ঘটে। ওই সব সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তির নিহত এবং আহত হওয়ার ঘটনায় মামলা ও পাল্টা মামলা রয়েছে একে অপরের বিরুদ্ধে। এসবের জের ধরে রোববার সকালে ‘যুদ্ধের ডাক’ দিয়ে দুই পক্ষ টেঁটা, বললম, দাঁ, ছুরি ও দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। প্রতিপক্ষের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন আশরাফুল চেয়ারম্যানের সমর্থক আলমগীর হোসেন আলম। এ সময় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে রায়পুরা থানা পুলিশসহ অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদী নবীনগর বাঞ্ছারামপুরসহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের (আরএমও) ডা. মাহমুদুল কবীর বাসার বলেন, আলমগীর নামে একজনকে মৃত অবস্থায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল মাহমুদ বলেন, বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হাসান রাতুল ও সাবেক চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলামে লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।