ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলার মাধ্যমে হত্যা করার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার গভীরভাবে মর্মাহত বলে জানিয়েছে। পাশাপাশি এটি আন্তর্জাতিক আইন ও প্রতিষ্ঠিত নিয়মের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এই কঠিন সময়ে ইরানের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর প্রকাশের এক দিন পর সোমবার (৩ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়।
গত শনিবার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলা চালায়। গতকাল রোববার ইরানের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয় যে হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ প্রতিরক্ষা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের কয়েকজন নিহত হয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে হামলাকারী হিসেবে কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে বলা হয়, কোনো সংকটের সমাধান সংঘাতে আসবে বলে বাংলাদেশ মনে করে না। বরং পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা এবং আইন সমুন্নত রেখে আলোচনাই সমাধানের একমাত্র পথ।
এর আগে, গতকাল রোববার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মধ্যপ্রাচ্যে হামলার প্রসঙ্গে একটি বিবৃতি দিয়েছিল। সেখানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার মৃত্যু নিয়ে বাংলাদেশ কোনো বক্তব্য ছিল না।
বিবৃতিটিতে ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে দাবি করে এর নিন্দা জানায় বাংলাদেশ সরকার। আর ইরানে যে হামলা হয়েছে তা নিয়ে শুধু উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এরপর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা দেখা যায়। একদিনের মাথায় নতুন আরেকটি বিবৃতি দিলো ঢাকা।