রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ফাইল ছবি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, খাল খননের মাধ্যমে জলাধার সৃষ্টি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সবুজ নগরায়ণ, পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’
আগামীকাল ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন। দিবসের এ বছরের মূল প্রতিপাদ্য- ‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন আজ বৈশ্বিক বাস্তবতা। এর বিরূপ প্রভাবে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়ের মতো ঘনঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা দেশের জনজীবন, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’
তিনি বলেন, ‘জলবায়ু ও পরিবেশের সংকট মোকাবিলা করা সরকার বা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দুরূহ। এটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিষয়। আমার বিশ্বাস, সরকারি ও বেসরকারি খাত, গবেষক, সুশীল সমাজ এবং সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।’
রাষ্ট্রপতি সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা, কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও জনসচেতনতার মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
তিনি পরিবেশ দূষণরোধ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি)-এর উদ্যোগে ৫ জুন যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
রাষ্ট্রপতি বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।