জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ পাচ্ছেন।
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মর্যাদার এই পুরস্কারের তালিকায় জায়গায় করে নিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তিনি স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদান রাখায় স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। মরণোত্তর এই স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
চলতি বছরে স্বাধীনতা পুরস্কার পেতে যাওয়া অপর ১৪ ব্যক্তি হচ্ছেন— মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর); বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম; সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর); সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর); ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবা/জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর); জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর); গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং সমাজসেবা/জনসেবায় অবদানের জন্য এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য— এই পাঁচ প্রতিষ্ঠান পুরস্কার পেতে যাচ্ছে।
স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রত্যেকে ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, সম্মানীর অর্থের চেক ও একটি সম্মাননাপত্র পাবেন।