রাজনীতি

আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমেই সুষম ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী হাবিব

ভিন্নমতে সহমত অনুষ্ঠানে ঢাকা-৯ আসন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-৯ আসনের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো, পরিবেশ এবং সামাজিক সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। মুগদা জেনারেল হাসপাতালকে বর্তমান ৫০০ শয্যা থেকে ১০০০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে এলাকার জনগণের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যায়।

বেসরকারি টেলিভিশন, ‘চ্যানেল আই’- এর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘ভিন্নমতে সহমত’- এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, রেল সেবা ও নির্বাচনী এলাকার সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৯ আসনের সাংসদ, হাবিবুর রশীদ হাবিব

অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে তিনি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং নগর সুবিধা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি খাল পুনরুদ্ধার ও পানি প্রবাহ সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার কথাও জানান। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একাধিক মন্ত্রণালয়কে সম্পৃক্ত করে একটি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সমন্বয়ের মাধ্যমেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করতে পারলে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।” তিনি আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে জানান, পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়া তিনি জানান, এলাকায় খেলার মাঠ, কবরস্থান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে। যুবসমাজের জন্য ইতিবাচক ও সৃজনশীল পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণ ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “আমি এই এলাকার সন্তান। মানুষের প্রত্যাশা পূরণ এবং তাদের জীবনমান উন্নয়ন করাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”

একই সঙ্গে তিনি তার মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম প্রসঙ্গে বলেন, রেলপথ খাতে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের লক্ষ্যে কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের মাধ্যমে রেলের কার্যক্রম আরও কার্যকর ও টেকসই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাস্তবতা, বাজেট এবং পরিবেশগত বিষয় বিবেচনায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে, যাতে দীর্ঘমেয়াদে তা টেকসই হয়।

শেষে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সমন্বিত উদ্যোগ, জনগণের সহযোগিতা এবং পরিকল্পিত বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকা-৯ আসনকে একটি আধুনিক, মানবিক ও উন্নত নগর এলাকায় পরিণত করা সম্ভব হবে।