মোস্তাফিজুর রহমানের সামনে আর কেউ নেই। যিনি ছিলেন সেই মোহাম্মদ আমিরকে গতকাল ছুঁয়ে দিয়ে পেছনেও ফেলেছেন। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে বাঁহাতি পেসারদের মধ্যে টাইগার পেসারই এখন সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক।
পিএসএলে লাহোর কালান্দার্স পেসার গতকাল মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে দুই উইকেট নিয়ে আমিরকে পেছনে ফেলেছেন। ২০১৫ সালে অভিষেকের পর ৩২৩ ইনিংসে ২১.০১ গড়ে তার উইকেট হলো ৪১৬টি। এরমধ্যে ১৫৮টি উইকেট আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে। আমির ৩৪৯ ইনিংসে নিয়েছেন ৪১৫ উইকেট। বাঁহাতি পেসারদের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় পরের দুটি নামও পাকিস্তানের। ওয়াহাব রিয়াজ ৩৪৪ ইনিংসে ৪১৩ ও সোহাইল তানভীর ৩৮১ ইনিংসে ৩৮৯ উইকেট নিয়েছেন।
শুধু বাঁহাতিদের মধ্যে সবার শীর্ষে বাংলাদেশের আরেক বোলার সাকিব আল হাসান। টাইগার অলরাউন্ডার বাঁহাতি স্পিনে ৪৬১ ইনিংসে ৫০৭ উইকেট নিয়েছেন। এরপরই ফিজ, আমির, রিয়াজ ও তানভীর। তবে টি-টোয়েন্টিতে উইকেটশিকারে সবার শীর্সে বসে আছেন আফগান কিংবদন্তি রশিদ খান। ২৭ বছর বয়সি এই লেগি ৫১৫ ইনিংসে নিয়েছেন ৭০৩ উইকেট।
লাহোর স্টেডিয়ামে ফিজ প্রথম বল হাতে তুলে নিয়েছিলেন ষষ্ঠ ওভারের সময়। প্রথম দুই বলে দুই রান দিয়ে তৃতীয় বলেই মারমুখী সাহিবজাদা ফারহানের উইকেট তুলে নিয়ে আমিরকে ধরেন। ওই ওভারে বাংলাদেশি পেসার খরচ করেন মাত্র ৫ রান। পরের ওভারে অবশ্য উইকেট পাননি, দেন ১৩ রান। ১৩ ওভারের ম্যাচে শেষ ও তৃতীয় ওভার করতে এসে প্রথম বলে চার হজম করে পরের বলে ফুলটসে শান মাসুদকে এলবিডব্লিউ করেন। পেছনে পড়েন আমির।
ফিজ ২ উইকেট শিকার করেন ৩৭ রানের বিনিময়ে। ম্যাচটিতে মূল আলো কেড়ে নেয় লাহোরের ব্যাটিং বিভাগ। আগের দুই ম্যাচে ৪ নম্বরে নামা পারভেজ হোসেন ইমন এদিন ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন। ১৯ বলে ৫ ছক্কায় ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ইমন ফিফটি মিস করলেও মোহাম্মদ নাঈম করেননি। ২৮ বলে ৬০ রান করেন তিনি। এরপর আবদুল্লাহ শফিকের ১৪ বলে ৩৩ রানের ক্যামিওতে ১৮৫ রানের সংগ্রহ পায় লাহোর। এই সংগ্রহ তাদের ২০ রানের জয় এনে দেয়।