

শিগগিরই ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদনের আবেদন চাওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এমন কথা জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র।
সম্প্রতি ডিজিটাল ব্যাংকের আইনে পরিবর্তন আনে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। যেখানে ডিজিটাল ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ১২৫ কোটি টাকা থেকে তিনশো কোটি করা হয়েছে। এর আগে নগদ কড়ি নামে দুইটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া হলেও তা বাতিল করা হয়।
ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স প্রদান করা হবে ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায়। আর পেমেন্ট সার্ভিস পরিচালিত হবে ২০১৪ সালের বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশনের অধীনে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক পরিচালনার জন্য প্রধান কার্যালয় থাকবে। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এটি হবে স্থাপনাবিহীন। সব সেবাই হবে অ্যাপ–নির্ভর, মুঠোফোন বা ডিজিটাল যন্ত্রে। একটি ডিজিটাল ব্যাংকে দিন–রাত ২৪ ঘণ্টাই সেবা মিলবে।
গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে ডিজিটাল ব্যাংক ভার্চ্যুয়াল কার্ড, কিউআর কোড ও অন্য কোনো উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য দিতে পারবে। তবে লেনদেনের জন্য কোনো প্লাস্টিক কার্ড দিতে পারবে না। এই ব্যাংকের সেবা নিতে গ্রাহকেরা অন্য ব্যাংকের এটিএম, এজেন্টসহ নানা সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। ডিজিটাল ব্যাংক কোনো ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে না। বড় ও মাঝারি শিল্পেও কোনো ঋণ দেয়া যাবে না। শুধু ছোট ঋণ দিতে পারবে।