

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগ করেছেন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি।
নিয়াজ আহমেদ খান জানান, তিনি সংকটকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু রাখতে এ দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।
তার ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকটকাল এখন শেষ হয়েছে।
ঢাবি উপাচার্য বলেন, আপৎকালীন পরিস্থিতি দূর হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আমি এখন মনে করছি, দায়িত্ব পালনের পর্বে আমরা একটা ভালো পর্যায়ে এসেছি এবং আমি সরে দাঁড়াতে চাই।
তিনি বলেন, এখন এই মুহূর্তে যেন কোনো শূন্যতা না হয়, ধারাবাহিকতা যেন কোনো অসুবিধায় না পড়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মুথ ট্রানজিশন দরকার, সে জন্য যদি সরকার ও অংশীজনেরা মনে করেন আরও কিছু সময় এই ধারাবাহিকতার প্রশ্নে, হঠাৎ শূন্যতা যেন না হয়, সেই প্রশ্নে যদি তারা কিছু সময় নিতে চান, আমি সেটি বিবেচনা করতে রাজি আছি।
তিনি আরও বলেন, এখন আমরা সারাদেশের মতো অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি, নিয়মিত রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেবে এবং আমরা তাদের পূর্ণ সহযোগিতা করব।
ঢাবি উপাচার্য আরও বলেন, আমি সরে দাঁড়াতে চাই যেন রাজনৈতিক সরকার তার মতো করে তার প্রশাসন সাজিয়ে দিতে পারে। সেই ক্ষেত্রে যদি তাদের আমার কোনো সহযোগিতা দরকার হয়, আমি যেকোনো সময় প্রস্তুত আছি।
‘আমি এখন বর্তমানে ডেপুটেশনে আছি এই পদে। ডেপুটেশন থেকে আমি অব্যাহতি চাইব এবং আমি আমার যে মূল কাজ শিক্ষকতা, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে ফেরত যেতে চাই।’
নিয়াজ আহমেদ আরও বলেন, এই মুহূর্তে আমি হঠাৎ করে কোনো শূন্যতা সৃষ্টি করছি না। পদত্যাগ করে চলে যাচ্ছি না। আমি একটা সুযোগ দিচ্ছি আমাদের রাজনৈতিক সরকারকে। তাদের সহযোগিতায় যা প্রয়োজন আমরা সেটা করব। তারা যেন ধারাবাহিকতাটা বজায় রাখে। তারা যেন তাদের মতো করে সাজিয়ে নিতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, আমি সরকারকে অনুরোধ করব—আমাকে যত দ্রুত সম্ভব আমার ডেপুটেশন থেকে অবহিত দিয়ে শিক্ষকতার মূল কাজ আমার বিভাগে ফেরত যাওয়ার যেন অনুমতি দেওয়া হয়।