

জীবন এক দীর্ঘ নদী—ধীরে ধীরে বয়ে যায়,
প্রতিটা ঢেউ কেবল জল নয়, নিজের ভেতরের আলো।
ফুলের মতো হাসে ক্ষুদ্র আনন্দ,
পাখির মতো ডাকে স্মৃতি, দূরের ডাক।
প্রলোভনের বৃষ্টি ঝরে চারদিকে,
কিন্তু মানুষ দাঁড়ায়, হাত রেখে প্রলয়ের কিনারায়।
জীবনের প্রতিটি সন্ধ্যা—নীরব নিঃশ্বাসের মতো,
প্রতিটা ক্ষণ শেখায় সীমার আলো।
সংযম হয়ে ওঠে জলের মতো ধীর,
ধৈর্য হয়ে ওঠে বাতাসের মতো মৃদু।
মাঝে মাঝে ঝড় আসে, ঢেউ খেলে,
তবু নদী শেখায়—ভেসে যাওয়াই মুক্তি।
চোখে জলপ্রপাতের সাদা আলো,
অন্তরের অন্ধকারকে ভেঙে দেয় প্রতিটি ফোঁটা।
প্রজাপতির ডানায় ভাসে স্বপ্নের রঙ,
এমনকি ক্লান্তি হয় জীবনের নরম ছায়া।
শেষে আসে সূক্ষ্ম আলো,
যেন নদী মিলিত হয় আকাশের স্রোতে।
মৃত্যু নয়, বরং এক নতুন সমুদ্র,
যেখানে আত্মা প্রথমবারের মতো হাসে।
সংযমের প্রতিটা দিন,
ধৈর্যের প্রতিটা নিশ্বাস, নদীর মতো চলমান,
যেখানে জীবনের শেষ মুহূর্তও হয়ে ওঠে
আনন্দময় মুক্তির উদয়।