

ইরানের উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ জব্দ করতে দেশটিতে বিশেষ বাহিনী (স্পেশাল ফোর্স) পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সরকার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।
অ্যাক্সিওস জানায়, এই বিশেষ অভিযানে শুধু মার্কিন বা ইসরায়েলি বাহিনী অংশ নেবে, নাকি এটি একটি যৌথ অভিযান হবে—সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মিশনটি সম্ভবত হামলার 'পরবর্তী ধাপে' বাস্তবায়িত হবে। দুই দেশ যখন নিশ্চিত হবে যে ইরানের সামরিক বাহিনী আর কোনো জোরালো প্রতিরক্ষা গড়ে তোলার সক্ষমতা রাখে না, তখনই এই কমান্ডো অভিযান চালানো হতে পারে।
ইরানের কাছে বর্তমানে ৬০ শতাংশ মাত্রায় সমৃদ্ধ ৪০০ কেজিরও বেশি (৮৮২ পাউন্ড) ইউরেনিয়ামের মজুদ রয়েছে। তবে এই বিশাল মজুদের বর্তমান অবস্থা বা অবস্থান নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকরা সর্বশেষ গত ১০ জুন এই ইউরেনিয়াম দেখেছিলেন। এরপর থেকে এর কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার আগে আইএইএ-র সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, ইরান ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধতায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে। পারমাণবিক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধতা বা 'ওয়েপন-গ্রেড' পর্যায়ে পৌঁছানোর খুব কাছাকাছি একটি ধাপ। ইরানের এই পরমাণু সক্ষমতা ধ্বংস করতেই এখন বিশেষ বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব।