

এই সরকারের প্রাথমিক অগ্রাধিকার হলো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারগুলোর একটি ছিলো প্রথম ১৮ মাসে, ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি। ইতোমধ্যে এটা নিয়ে আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি। যে দায়িত্বটা সরকার আমাকে দিয়েছে, এটি আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার পূরণের একটি বড় জায়গা।
বেসরকারি টেলিভিশন, চ্যানেল আই- এর অনুষ্ঠান "ভিন্নমতে সহমত”- কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, দেশ ও দেশের বাইরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে সরকারের ভাবনা ও পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর ।
তিনি বলেন, কার্যত দেশে অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি, প্রবাসে কিভাবে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায় তা নিয়ে আমরা কাজ করছি। নানা কারণে আমাদের প্রবাসী শ্রম বাজারে দীর্ঘদিন ধরে একটি নেতিবাচক প্রচারণা চলে আসছে, তা নির্মূলে আমরা বদ্ধ পরিকর।
আমরা দেশে প্রথমবারের মতো কর্মসংস্থান নিয়ে কাজ করার জন্য আলাদা একটি সেক্টর তৈরির বিষয়ে আলোচনা করেছি।
যেমন- শ্রম অধিদপ্তর, শ্রমিকদের অধিকার ও বেতন-ভাতা তথা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে কাজ করে। তেমন-ই, এই অধিদপ্তরের কাজ হবে- এখন হতে ৫/১০ বছর পর, দেশীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে কি ধরণের চাহিদা তৈরি হবে তা অনুধাবন করা। এবং সে অনুযায়ী, শ্রমবাজার ও শিক্ষা ব্যবস্থার সামঞ্জস্যতা বজায় রাখা।
আমি কর্মসংস্থানের দাবিতেই কোটার বিরুদ্ধে লড়েছি এবং প্রবাসীদের জন্য ও অনেক সংগ্রাম করেছি। যে মন্ত্রণালয়ে বসে আছি, এই প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় আমরা একসময় ঘেরাও করেছি, প্রবাসীদের দাবি আদায়ের জন্যই। এই বিষয়গুলিতে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলেই হয়তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে এখানে বিবেচনা করেছেন।
কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি সম্পর্কে নুর বলেন, আমরা তো মাত্র কাজ শুরু করেছি। তাছাড়া আমরা যারা প্রথমবারের মতো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছি, আমরা তো এখোনো শিক্ষানবিশ বলতে পারেন। মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধি জানতে ও বুঝতেই আমাদের কয়েক সপ্তাহ লেগে যাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে প্রত্যাশা নিয়ে আমাকে এই দায়িত্ব দিয়েছেন, তা পূরণ করাটা এখন আমার প্রধান লক্ষ্য।