

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, পর্যবেক্ষকরা ইসির তৃতীয় নয়ন। চাই, তাদের পর্যবেক্ষণ মানসম্মত হোক।
আজ বুধবার সকালে রাজধানীর এনজিও ব্যুরোর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। নীতিমালার মধ্যে থেকে পর্যবেক্ষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান এই নির্বাচন কমিশনার।
'সিটিজেন অবজারভেশন ফর ইনক্লুসিভ অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবল ইলেকশন ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (এএফইডি)। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এই অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় ছিল ইউরোপিয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা ও সংস্কার কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ২০০৭ সালে যে বিধানগুলো করা হলো, সংশোধন-পরিমর্জন করা হলো, এগুলো আর ঘসামাজা করার সুযোগ পাইনি বাকি তিনটি নির্বাচনে।
তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যাশা অনেক এবং যৌক্তিক প্রত্যাশা। তবে ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আমরা যে প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আমাদের একটা বিরাট ভ্যাকুয়াম হয়ে গিয়েছে। এই ভ্যাকুয়ামের কারণে আমরা এখনো বলতে পারি ২০০৮ সালের আগে পড়ে আছি।
দেশি পর্যবেক্ষকদের নিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, গত তিনটা নির্বাচনে, সাজানো নির্বাচনে বা বিতর্কিত নির্বাচনে আনফরচুনেটলি একটা গুড নাম্বার অব সিটিজেন অবজারভেশন অরগানাইজেশন, যারা ইনভলভড ছিল, তারা যথাযথভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেনি।
এবারের পর্যবেক্ষকদের নিবন্ধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসির কাছে তিন শতাধিক প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। এর মধ্যে থেকে চূড়ান্তভাবে ৮১টি প্রতিষ্ঠানকে কিছু সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পর্যবেক্ষকরা ইসির তৃতীয় নয়ন। চাই, তাদের পর্যবেক্ষণ মানসম্মত হোক। মৌলিক বিষয়াদির যেনো ব্যত্যয় না হয়। নীতিমালার মধ্যে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
অনুষ্ঠানে 'সিটিজেন অবজারভেশন ফর ইনক্লুসিভ অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবল ইলেকশন ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক ৮১টি পর্যবেক্ষক সংস্থার মোর্চা এএফইডির একটি প্রকল্পের উদ্বোধন হয়। গত বছরের ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে এই প্রকল্প চলবে চলতি বছরের ১৪ মে পর্যন্ত।